মাঠ পর্যায় থেকে জেলা প্রশাসন পর্যন্ত প্রতিটি অনুমোদনের ধাপ ডিজিটালি ট্র্যাক করুন। কাগজের জঞ্জাল, ডুপ্লিকেট তালিকা আর হিসাবের গরমিল আর নয় — এখন সবকিছু স্বচ্ছ, দ্রুত ও জবাবদিহিমূলক।
প্রতিটি তালিকা কোন ধাপে আছে তা রিয়েল-টাইমে দেখা যায়।
ম্যানুয়াল প্রক্রিয়ায় প্রতিটি ধাপে ভুল ও দেরির ঝুঁকি থেকে যায় — যা প্রকৃত কৃষকের প্রাপ্তি বিলম্বিত করে।
একই কৃষক একাধিকবার তালিকাভুক্ত হয়ে গেলেও হাতে-কলমে ধরা কঠিন।
তালিকা কো-এডমিন না এডমিনের কাছে আছে — তা জানতে বারবার ফোন করতে হয়।
হাতে তৈরি মাস্টাররোল ও বিতরণ স্লিপে সংখ্যাগত গরমিল হওয়া স্বাভাবিক।
মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন পাঠাতে হাতে গণনা করে দিনের পর দিন সময় যায়।
একই কাজ, কিন্তু ফলাফলে আকাশ-পাতাল পার্থক্য।
মাঠ পর্যায় থেকে জেলা পর্যন্ত প্রতিটি সিদ্ধান্ত ডিজিটালি রেকর্ড থাকে — কে, কখন, কী অনুমোদন দিলেন তা সবসময় দেখা যায়।
কৃষক নিবন্ধন করে অগ্রাধিকার তালিকা তৈরি ও জমা দেন
তালিকা যাচাই করে অনুমোদন বা ফেরত দেন
চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়ে মাস্টাররোল প্রস্তুতের অনুমতি দেন
স্লিপ স্ক্যান করে প্রকৃত কৃষকের প্রাপ্তি নিশ্চিত হয়
মাঠ পর্যায় থেকে নীতিনির্ধারণী রিপোর্ট পর্যন্ত — সবকিছুর জন্য আলাদা আলাদা টুল লাগবে না।
অনুসন্ধান, নিবন্ধন ও গ্রামভিত্তিক তালিকা — ডুপ্লিকেট প্রতিরোধসহ।
ফসল, মৌসুম ও অর্থবছরভিত্তিক তালিকা তৈরি ও অনুমোদন ট্র্যাকিং।
অনুমোদিত তালিকা থেকে এক ক্লিকে মাস্টাররোল ও বিতরণ স্লিপ।
বিতরণকালে QR/বারকোড স্ক্যান করে প্রকৃত প্রাপকের নিশ্চয়তা।
গ্রামভিত্তিক, ফসলভিত্তিক ও মন্ত্রণালয় রিপোর্ট Excel/PDF আকারে।
কৃষকদের সরাসরি খুদে বার্তায় হালনাগাদ তথ্য পাঠান।
সদস্য তালিকা, সভার নোটিশ ও রেজুলেশন এক জায়গায় সংরক্ষণ।
জেলা থেকে উপজেলা পর্যায়ে বরাদ্দ বিভাজন ও তদারকি।
যার যতটুকু দরকার, ঠিক ততটুকু প্রবেশাধিকার — না বেশি, না কম।
প্রতিটি সিদ্ধান্তের ডিজিটাল ট্রেইল সংরক্ষিত থাকে।
রিপোর্ট তৈরিতে এখন লাগে দিন নয়, মিনিট।
স্লিপ স্ক্যান ভিত্তিক বিতরণ যাচাই ডুপ্লিকেট ঠেকায়।
প্রতিটি ভূমিকার নির্দিষ্ট প্রবেশাধিকার ও অনুমোদন সীমা।
আরও প্রশ্ন থাকলে সরাসরি যোগাযোগ করুন — নিচে ডেমোর অপশন আছে।
প্রথম মাস বিনামূল্যে ডেমো পরিদর্শন করুন, তারপর আপনার অফিসের প্রয়োজন অনুযায়ী সাবস্ক্রিপশন প্ল্যান বেছে নিন। ইনস্টলেশন থেকে প্রশিক্ষণ — সম্পূর্ণ সহায়তা আমাদের।